কিডনি ও পিত্তথলির পাথর কারণ উপসর্গ ও প্রতিরোধের সহজ উপায়

কিডনি ও পিত্তথলির পাথর কারণ উপসর্গ ও প্রতিরোধের সহজ উপায়

স্বাস্থ

কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা রক্ত থেকে দূষিত পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেয়। কিন্তু কখনো কখনো ক্যালশিয়াম অক্সালেট, ক্যালশিয়াম ফসফেট ও ইউরিক অ্যাসিডের অতিরিক্ত জমাট বাঁধার ফলে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি হয়। পিত্তথলির পাথর সাধারণত কোলেস্টেরল ও বিলিরুবিন জমে গঠিত হয়, যা বেশি চর্বিযুক্ত খাবারের কারণে বৃদ্ধি পায়।

পাথর হলে তীব্র পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং শরীরের বিভিন্ন অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার পাথর হলে তা পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি।

কিভাবে এড়াবেন কিডনি ও পিত্তথলির পাথর?

  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন: দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করুন, যা পাথর তৈরির ঝুঁকি কমায়।

  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন: হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি বা কমা পিত্তথলির পাথর হওয়ার কারণ হতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও স্থিতিশীল ওজন বজায় রাখুন।

  • সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন: বেশি তেল ও ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন, টাটকা সবজি ও ফল বেশি খান। অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার যেমন পালংশাক, বাদাম কম পরিমাণে খাওয়া ভালো।

  • পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধে: কম ফ্যাটযুক্ত, প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান; যেমন মাছ, মাংস, ডিম ও টাটকা শাকসবজি। প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত চিনি ও তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

কিডনি ও পিত্তথলির পাথর বেশিরভাগ সময় প্রতিরোধযোগ্য। সঠিক যত্ন এবং সচেতনতা রক্ষা করলে এ রোগ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।