৩১ দফা কর্মসূচি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আনবে নৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন

৩১ দফা কর্মসূচি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আনবে নৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন

রাজনীতি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৩১ দফা কর্মসূচি প্রবর্তনের মাধ্যমে বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করেছে। তিনি বলেন, “জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে যদি বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে রাজনৈতিক ও নৈতিক পরিবর্তন হবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।”

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি বার বার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই করেছে। দলকে ধ্বংস করার প্রচেষ্টা চালানো হলেও বিএনপি ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠেছে। তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে বিএনপি নির্বাসিত অবস্থায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে।”

মহাসচিব বলেন, “একটা অবিশ্বাস্য ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, মূল লক্ষ্য ছিল বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা। প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ২০ হাজার মানুষকে হত্যা এবং ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি।”

তিনি আরও জানান, বর্তমান চ্যালেঞ্জ হলো আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করা।

মির্জা ফখরুল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে বলেন, তিনি গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, অর্থনীতিতে মুক্তিবাজার অর্থনীতি চালু করেছিলেন এবং দেশকে পোশাক শিল্পে প্রবৃদ্ধি দান করেছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা শুরু করেছিলেন।

এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ, আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল আলম নীরব, উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা।