গত এক দশকে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম রানরেট বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার

গত এক দশকে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম রানরেট বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার

খেলাধুলা

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে গত এক দশকের পরিসংখ্যান বলছে, শীর্ষ ১০ দলের মধ্যে সবচেয়ে কম রানরেট বাংলাদেশের (৭.৫৮) এবং শ্রীলঙ্কার (৭.৬৬)। এশিয়ার অন্য দলগুলোর তুলনায় নিয়মিতই পিছিয়ে পড়ছে এই দুই দেশ।

২০১৫ সাল থেকে প্রায় সবসময় ব্যাটিং পরিসংখ্যানে নিচের দিকেই ছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। পাওয়ার প্লে, মিডল ও ডেথ—প্রতিটি ধাপেই ব্যাটিং দুর্বলতা চোখে পড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কা পাওয়ার প্লেতে কিছুটা উন্নতি করলেও, আর বাংলাদেশ ডেথ ওভারে গড়পড়তা মানে পৌঁছালেও সামগ্রিক চিত্র এখনো হতাশাজনক।

ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ার শক্তিশালী দল ভারতের রানরেট যেখানে ৮.৯১, সেখানে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা অনেক পিছিয়ে। ঘরের মাঠেও একই অবস্থা—দক্ষিণ আফ্রিকার রানরেট ৯ হলেও বাংলাদেশের মাত্র ৬.৬ এবং শ্রীলঙ্কার ৭.৩। ব্যাটিং গড়ও এই দুই দলের সবচেয়ে কম।

বিশ্লেষকদের মতে, ঘরের মাঠের স্পিনসহায়ক উইকেট ব্যাটারদের আক্রমণাত্মক খেলার মানসিকতা গড়ে তুলতে দেয় না। মিরপুর ও প্রেমাদাসার উইকেট নিয়ে নিয়মিত সমালোচনা হয়ে আসছে। টি-টোয়েন্টির আসল প্রাণ হলো পাওয়ার হিটিং, যেখানে ইংল্যান্ড, ভারত বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিয়মিতই ভয়ডরহীন ব্যাটার তৈরি করছে। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় এই ধরণের ব্যাটার হাতে গোনা।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতেও ঝুঁকি নিতে ভয় পান দুই দলের ব্যাটাররা। বিশেষজ্ঞদের মতে, টি-টোয়েন্টিতে প্রতিযোগিতামূলক হতে হলে উইকেটের মানোন্নয়ন জরুরি, যাতে ব্যাটাররা আধুনিক ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক খেলায় অভ্যস্ত হতে পারেন। নইলে শীর্ষ দলের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া কঠিন হয়ে থাকবে।