ফ্রান্সে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে নিয়োগ পাওয়া প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নুর হঠাৎ পদত্যাগে। সোমবার (৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। এর ফলে ১৯৫৮ সালের পর তিনি হলেন ফ্রান্সের সবচেয়ে স্বল্পমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী।
মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই লেকর্নু তার নতুন মন্ত্রিসভার তালিকা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু মন্ত্রিসভার গঠন নিয়ে নিজের দল ‘রেনেসাঁ’ এবং বিরোধী দলগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে তিনি সরে দাঁড়ান।
লেকর্নুর সামনে ছিল ফ্রান্সের বিপুল বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ। ২০২৪ সালে বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫.৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং জাতীয় ঋণ ১১৩ শতাংশে গিয়েছিল—যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্ধারিত সীমার অনেক বেশি।
বিশ্লেষকদের সমালোচনা ছিল—ঘোষিত মন্ত্রিসভায় নতুনত্বের অভাব এবং স্পষ্ট রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার ঘাটতি। এদিকে বিরোধীদল ন্যাশনাল র্যালি (আরএন) সংসদ ভেঙে দিয়ে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি তুলেছে, যা প্রেসিডেন্ট ম্যাকরনের ওপর আরও চাপ তৈরি করেছে।
