আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, গুম, খুন ও নির্যাতনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কেবলমাত্র আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় সম্ভব। আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ আইনি ব্যাখ্যা চাইলে তা দেওয়া হবে।
রোববার (১২ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের বিরতির সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত। গ্রেফতারি পরোয়ানা যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে পৌঁছে গেছে। যদিও ১৫ জন সেনা হেফাজতে আছে বলে সংবাদে এসেছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষ কিছু জানে না।”
এদিন যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে স্বাধীনতা-পরবর্তী বাকশাল, দুর্ভিক্ষ এবং পরবর্তী ঘটনাসমূহ উল্লেখ করেন। পাশাপাশি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের ঘটনাও বর্ণনা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
তাজুল ইসলাম বলেন, “মানুষকে গুম করে নির্মমভাবে নির্যাতন ও হত্যা করা হতো। কাউকে হত্যা করতে রেললাইনে ফেলে ট্রেনে কাটা পড়ার নাটক সাজানো হতো। যাদের হত্যা করা হতো না, তাদের বিভিন্ন সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ফাঁসানো হতো। ক্রসফায়ারের নির্মম ঘটনাও ঘটেছিল। এসব ঘটনার প্রমাণ আমাদের তদন্ত সংস্থা পেয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বিচারক যারা স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও সাংবিধানিকভাবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিধান থাকা উচিত।
