ইংল্যান্ড সরকার ঘোষণা করেছে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের ফলাফলের নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করলে টিউশন ফি বাড়াতে পারবে।
শিক্ষামন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন সোমবার সংসদে জানান, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষাবর্ষসহ পরবর্তী দুই বছর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ফি মুদ্রাস্ফীতির হারে বৃদ্ধি পাবে। তবে শুধুমাত্র সেইসব প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে যারা উচ্চমানের পাঠদান, শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহায়তা এবং উন্নত ফলাফল নিশ্চিত করবে।
সরকারের নতুন ‘পোস্ট-১৬ শিক্ষা ও দক্ষতা শ্বেতপত্র’ অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রতি বছর টিউশন ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা হবে, তবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মান ও পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে।
ফিলিপসন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি সর্বোচ্চ ফি নিতে চায়, তাদের বিশ্বমানের শিক্ষা দিতে হবে। এই সংস্কার শিক্ষার্থীদের অর্থের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করবে এবং শিক্ষার মান উন্নত করবে।”
এছাড়া সরকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় অন্য প্রতিষ্ঠানকে কোর্স পরিচালনার অনুমতি দেয়। লক্ষ্য হলো সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও ভর্তি এজেন্টদের অনিয়ম রোধ করা।
শিক্ষাবিদরা এই পদক্ষেপকে উচ্চশিক্ষার মান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। নতুন নীতিমালায় পেশাভিত্তিক “V-level” কোর্স, গণিত ও ইংরেজিতে GCSE পুনঃপরীক্ষা সহজ করা, এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্টেপিং স্টোন’ প্রস্তুতিমূলক কোর্স চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
