আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ৩৬ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন,
“বিগত তিনটি নির্বাচন ছিল প্রহসন। এবার আমরা চাই একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে।”
বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ ও ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া।
🔹 বিএনপির দেওয়া প্রধান ৩৬ দফা প্রস্তাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়:
-
নির্বাচনকালীন সরকার ও প্রশাসনের শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।
-
মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ পুনর্গঠন করতে হবে।
-
বিতর্কিত কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত করতে হবে।
-
সিসি ক্যামেরা স্থাপন, অভিযোগ নিষ্পত্তির কেন্দ্র ও স্বচ্ছ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে হবে।
-
সামরিক বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ভোটের আগে মাঠে মোতায়েন করতে হবে।
-
ভোটের দিন ভোটকেন্দ্র থেকে সরাসরি ফলাফল ঘোষণা করতে হবে।
-
প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালট ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, নির্বাচনে অর্থশক্তি, পেশিশক্তি ও ধর্মীয় প্রভাব বন্ধ করতে হবে। ভোটারদের জন্য নিরাপদ ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যদিও পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. আবদুল মঈন খান বলেন“আমরা কোনো লিখিত প্রস্তাব জমা দিইনি; আলোচনা করেছি মাত্র।” তবে সাংবাদিকদের হাতে ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে করণীয় প্রস্তাবসমূহ’ শীর্ষক বিএনপির একটি লিখিত কপিও দেখা যায়।
