২০০৯ সালে প্রথম কিস্তি মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা ‘অ্যাভাটার’ তার ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে দ্বিতীয় কিস্তি ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের রেকর্ড গড়েছিল। নতুন কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ তেও জেমস ক্যামেরনের ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং গ্রাফিক্স দর্শককে মুগ্ধ করেছে।
সিনেমার গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে সুলি পরিবার, যেখানে নতুন বিপদ ও ‘আগুন উপজাতি’-এর আবির্ভাব নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে। সমালোচকরা জানিয়েছেন, সিনেমা হলে এই কিস্তি দেখার অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন এবং দর্শকের জন্য চমকপ্রদ।
সাইমন ফ্র্যাংলেনের ৭ বছর ধরে তৈরি করা ১,৯০৭ পাতার অর্কেস্ট্রা স্কোর ও নতুন বাদ্যযন্ত্র সিনেমার সঙ্গীতকেও বিশেষ করে তুলেছে।
জেমস ক্যামেরন বলেন, বক্স অফিসের সাফল্যই ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
প্রেক্ষাগৃহের দর্শকরা ইতোমধ্যেই সিনেমার ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং উত্তেজনাপূর্ণ কাহিনী নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
