পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আইজিপি বলেন, “জুলাই পরবর্তী সময়ে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছে, তবে আমরা সেই অবস্থার বাইরে এসেছি। নির্বাচনের এই পর্যায়ে পুলিশ বাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সম্পূর্ণ সক্ষম।”
আইজিপি আরও বলেন, ছোটখাটো ইস্যুতে রাস্তা ও মহাসড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি বন্ধ করার সময় এসেছে। নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের জন্য প্রতিটি এলাকায় শৃঙ্খলা ও অর্ডার বজায় রাখতে হবে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা দেওয়ায় নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও সময়োপযোগী হয়েছে। এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবে, যা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
পুলিশ প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের রদবদল সম্পর্কেও আইজিপি স্পষ্ট নির্দেশিকা চেয়েছেন। তিনি বলেন, “এসপি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা থাকে। তবে কনস্টেবল বা সাব-ইন্সপেক্টরের রদবদলে কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।”
আইজিপি বাহারুল আলম প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, “পুলিশ তার সর্বশক্তি ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এবারের নির্বাচন সফল ও শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর। দেশবাসী ও নির্বাচন কমিশন আমাদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারেন।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
