শিক্ষাঙ্গন থেকে অস্ত্রের সংস্কৃতি বিদায়ের সময় শুরু হয়েছে, তবে অন্ধকার পুরো কাটেনি: ডা. শফিকুর রহমান

শিক্ষাঙ্গন থেকে অস্ত্রের সংস্কৃতি বিদায়ের সময় শুরু হয়েছে, তবে অন্ধকার পুরো কাটেনি: ডা. শফিকুর রহমান

রাজনীতি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গত ৫৪ বছর ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমের পরিবর্তে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। ফলে শিক্ষাঙ্গনগুলো একসময় মিনি ক্যান্টনমেন্টে পরিণত হয় এবং ছাত্রদের জীবন, ভবিষ্যৎ ও ছাত্রীদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়ে। তবে জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া সেই অন্ধকার অধ্যায় এখন ধীরে ধীরে বিদায় নিতে শুরু করেছে, যদিও কালো ছায়া এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মুনতাসির আলিফের বাবা সৈয়দ গাজিউর রহমান।

ছাত্রশিবিরের চলতি সেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ব্যক্তিবর্গ এবং গুম হওয়া ছাত্রশিবির সদস্যদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জাতিকে ১৯৪৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সংগ্রাম ও অপেক্ষা করতে হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রনেতা আবদুল মালেক থেকে শুরু করে সর্বশেষ বিপ্লবী শরীফ ওসমান বিন হাদিসহ অসংখ্য মানুষ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে ছাত্রশিবিরকে দমন করার চেষ্টা চলছে। তবে স্বাধীনতাবিরোধী তকমা, ‘রগ কাটা’ অপবাদ, ক্রসফায়ার কিংবা আয়নাঘরের ভয় দেখিয়ে ছাত্রশিবিরকে থামানো যাবে না।