৩০ মে ও ৩০ ডিসেম্বর—বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দুটি দিন গভীর তাৎপর্য ও আবেগ বহন করে। স্বাধীনতা, ত্যাগ ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক হয়ে আছে দিন দুটি, যা জাতির সংগ্রাম ও নেতৃত্বের স্মারক হিসেবে চিরস্মরণীয়।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে জীবন উৎসর্গ করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তাঁর আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়, যা জাতিকে সাহস ও আত্মমর্যাদার শিক্ষা দেয়।
অন্যদিকে ৩০ ডিসেম্বর স্মরণীয় হয়ে আছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য। গণতন্ত্র, শিক্ষা বিস্তার, নারী ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত। এই দিনে জাতি তাঁর নেতৃত্ব ও ত্যাগকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
এই দুটি দিন কেবল শোক বা স্মৃতির নয়, বরং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রেরণা দেয়। ত্যাগ ও সাহসের মূল্য উপলব্ধি করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার শিক্ষা দেয় ৩০ মে ও ৩০ ডিসেম্বর।
বাংলাদেশ চিরকাল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্ম এই ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে—এটাই এই দুই ঐতিহাসিক দিনের মূল বার্তা।
