আ. লীগ ও পলাতক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

আ. লীগ ও পলাতক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা দেশ জুড়ে

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ব্যাপক ককটেল বিস্ফোরণে জাবেদ শেখ (২০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কুদ্দুস বেপারী এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর আগেও একাধিকবার তাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাতে বুধাইরহাট বাজার এলাকায় কুদ্দুস বেপারীর সমর্থক মান্নান বেপারী ও জলিল মাদবরের সমর্থক নাসির বেপারীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে রোববার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় বিপুলসংখ্যক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে আহত জাবেদ শেখকে প্রথমে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তানভীর আহমেদ জানান, ককটেল বিস্ফোরণে এক যুবকের বাম হাতের কবজি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা যায়নি।’

তিনি আরও জানান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবর বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কুদ্দুস বেপারী ৫ আগস্টের ঘটনার পর গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্ত হলেও পরে আত্মগোপনে চলে যান।