ইউরোপ বাছাইপর্বে গত গ্রীষ্মে চতুর্থ স্থান অর্জন করায় ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। ওই বাছাইপর্ব থেকে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি নিশ্চিত হওয়ায় স্কটল্যান্ড মূল আসরে খেলার সুযোগ হারিয়েছিল।
তবে বাংলাদেশ নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে খেলতে না চাওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্কটিশ দলকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
স্কটল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ট্রিশা লিন্ডব্লেড বাংলাদেশ দলের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। একজন ক্রিকেটার হিসেবে তারা শুধু খেলতে চায়, কিন্তু কিছু বিষয় আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এগুলো আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সমাধানের বিষয়।”
লিন্ডব্লেড আরও জানান, স্কটল্যান্ড আইসিসির আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের জন্য অপেক্ষা করেছিল এবং তারা চেষ্টা করছে ক্রিকেটকে বিভক্ত না হতে দিতে।
স্কটল্যান্ড একটি সহযোগী সদস্য দেশ হিসেবে আইসিসির রাজস্ব বণ্টন কাঠামো থেকে বছরে প্রায় ২৭ লাখ পাউন্ড আয় করে, যা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। উদাহরণস্বরূপ, ইংল্যান্ড শুধু আইসিসি থেকে প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড আয় করে, এছাড়া তাদের বিশাল সম্প্রচার আয় রয়েছে।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ স্কটল্যান্ডের জন্য অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে তারা প্রায় ২ লাখ ৩ হাজার পাউন্ড পেয়েছিল। তবে এবার শেষ মুহূর্তে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় খরচও বেড়েছে।
লিন্ডব্লেড বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তারা সংবেদনশীল ও কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপ বাছাইপর্বে তৃতীয় স্থান পাওয়া চ্যানেল দীপপুঞ্জের দল জার্সি হয়তো নিজেদের বঞ্চিত মনে করতে পারে। এজন্য লিন্ডব্লেড ইতিমধ্যে জার্সি ক্রিকেটের কর্মকর্তা সারা গোমারসাল-এর সঙ্গেও আলোচনা করেছেন।
