ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণার সময় শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ হয়। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রচার শেষ হওয়ার আগে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালান প্রার্থীরা। কেউ কেউ ভোর হওয়ার পরপরই মাঠে নেমে পড়েন। প্রার্থীরা ভোটারদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে সমর্থন চান। তাদের ভাষ্য, শেষ সময়ের প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ, তাই সেটিও কাজে লাগাতে চেয়েছেন তারা।
সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অধিকাংশ প্রার্থী। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ঘটনাও ঘটেছে। তবে ভোটারদের প্রত্যাশা—শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হোক।
ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৪৯টি জেলায় ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে। বাকি জেলাগুলোতেও দ্রুত ব্যালট পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সম্প্রতি এক প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ওই আসন বাদে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, মহিলা ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে এবং সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে।
এ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি।
