সম্ভাবনাময় খেলাগুলো পাবে বিশেষ গুরুত্ব

সম্ভাবনাময় খেলাগুলো পাবে বিশেষ গুরুত্ব

খেলাধুলা

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের কর্মপরিকল্পনা গুছিয়ে নিচ্ছেন আমিনুল হক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশকে সাফল্য এনে দিতে পারে—এমন সম্ভাবনাময় খেলাগুলোতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি স্কুল পর্যায়ে ক্রিকেট ও ফুটবলের সঙ্গে আরও তিনটি খেলা যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আন্তর্জাতিক সাফল্যের বিবেচনায় আর্চারি, শ্যুটিং ও হকির নাম উঠে আসে। স্কুলে সহজে চর্চা করা যায়—এমন খেলার মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেটের পাশাপাশি অ্যাথলেটিকস, মার্শাল আর্ট ও দাবার কথাও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। দ্রুত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

দক্ষিণ এশীয় গেমস ও অলিম্পিকের মতো বড় আসরে ভালো ফল পেতে অতীত রেকর্ড বিশ্লেষণ করে খেলা বাছাই এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগে বিশেষায়িত ক্যাম্প হলেও তা স্থায়ী হয়নি। এবার সেটিকে টেকসই করার লক্ষ্য রয়েছে।

স্কুলে পাঁচটি খেলা বাধ্যতামূলক করলে সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। প্রতিটি উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে, যেখানে সাবেক খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বেতনের আওতায় আনার কথাও বলেছেন আমিনুল। খেলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী করতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

খেলার মাঠ বাড়ানোর বিষয়ে বড় অবকাঠামোর বদলে খালি জায়গায় মানসম্মত মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্কুলের মাঠ স্থানীয় শিশুদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। উপজেলা পর্যায় থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোকে সক্রিয় করা, বরাদ্দ বৃদ্ধি, নেতৃত্বে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা বাড়ানো এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কৃতী খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।