অবৈধভাবে তেল মজুদ ও পাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করতে তথ্যদাতাদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, এ ধরনের অনিয়ম সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার নানা উদ্যোগ নিলেও কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল মজুদ ও পাচারের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে এবং বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করতে চায়। নির্ভরযোগ্য তথ্য পেলে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, অবৈধ মজুদকারীদের কারণে বাড়তি সরবরাহ দিয়েও চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মার্চের ১ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ তেল সরবরাহ করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রতিটি জেলায় ‘ভিজিল্যান্স টিম’ গঠন করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাম্পগুলোতে তদারকি জোরদার করতে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।
