ফেসবুক প্রতারণায় প্রবাসীর ১৪ লাখ টাকা হাতছাড়া

ফেসবুক প্রতা/রণায় প্রবাসীর ১৪ লাখ টাকা হাতছাড়া

প্রবাস

দুবাইয়ে অনলাইন ট্রেডিং স্ক্যামে বাংলাদেশি প্রবাসীর ১৩ লাখ টাকা ক্ষতি — প্রতারণার কৌশল জানুন

এক বাংলাদেশি প্রবাসী ৪২,০০০ দিরহাম (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৩,৯৭,৭৭৬ টাকা) অনলাইন ট্রেডিং স্ক্যামে হারিয়েছেন। দুবাইয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের “Don’t Fall for It” ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এই প্রতারণার ঘটনাটি সামনে আসে।

 কীভাবে প্রতারণা হয়েছিল?

ভুক্তভোগী ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি লোভনীয় অফার পান, যেখানে প্রতিদিন মাত্র কিছু সময় কাজ করে ১০০ থেকে ৩২৫ দিরহাম আয়ের আশ্বাস দেওয়া হয়।

প্রথম দিকে কিছু লাভ দেখিয়ে আস্থাভাজন করে নেওয়া হয়। এরপর তিনি ধাপে ধাপে বিনিয়োগ বাড়িয়ে ৪২ হাজার দিরহাম জমা দেন একটি ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্টে।

 প্রতারণার মূল কৌশল

  • লোভনীয় মুনাফার প্রতিশ্রুতি

  • ‘ট্রান্সফার কোড ত্রুটি’ দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি

  • হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে প্রলোভন

  • কোম্পানির সঙ্গে পরবর্তীতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

 

  • ফেসবুক প্রতা/রণায় প্রবাসীর ১৪ লাখ টাকা হাতছাড়া ফেসবুক প্রতা/রণায় প্রবাসীর ১৪ লাখ টাকা হাতছাড়া

 কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

ভুক্তভোগী UAE স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের “MOIUAE” অ্যাপে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, বেশিরভাগ ভুয়া ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়, এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রতারক চক্র এমন দেশে থাকে যেখান থেকে অর্থ ফেরত পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

জনসচেতনতামূলক বার্তা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সিকিউরিটি বিভাগের কর্নেল ড. ইব্রাহিম আল মিয়াহী বলেন:

“সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সক্রিয়তা অনেক সময় নিজেকেই প্রতারকের সামনে তুলে ধরে। সন্দেহ হলে দ্রুত লেনদেন বন্ধ করা উচিত।”

কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?

  1. Securities and Commodities Authority‘র ওয়েবসাইটে যাচাই করুন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের লাইসেন্স

  2. সন্দেহজনক এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় ক্লিক করবেন না

  3. বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন

  4. প্রতারণা হলে সাথে সাথে রিপোর্ট করুন