বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বরাবরের মতোই বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে রয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা জেমস স্টুয়ার্ট ও শেন স্যান্ডার্স।
বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, আসন্ন নির্বাচন নিয়ে তারা আগ্রহী এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতো তিনিও একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন প্রত্যাশা করেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত থাকবে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নির্বাচন আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চান। বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাপনা নিয়ে তার আগ্রহ ছিল। এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে এবং এটিকে একটি জটিল ও কষ্টসাধ্য প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভোটের আচরণবিধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং ভোটারদের যাতায়াত ব্যবস্থাও আলোচনায় উঠে আসে।
ইসি সচিব বলেন, মার্কিন দূতাবাস তাদের নিজস্ব উদ্যোগে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। এটি হবে অনানুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষণ এবং এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তারা পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে জমা দেবে। তবে তারা নির্বাচন কমিশনের তালিকাভুক্ত আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন না।
