হাইকোর্ট সম্পূর্ণ রমজান মাসে সরকারি ও বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর বেঞ্চ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এই নির্দেশ দেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, হাইকোর্টের এ নির্দেশনার বিষয়ে তারা এখনও কোনো আলোচনায় বসেনি। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং এরপর মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান প্রকাশ করবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (সরকারি মাধ্যমিক) সাইদুর রহমান বলেন, “ছুটির বিষয়ে আগামীকাল আমরা আলোচনা করব। এর আগে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।”
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা একটি আইন, প্রথা ও নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ দেশের আইন ও প্রথার ক্ষমতা। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে ক্লাস ও যাতায়াতের ফলে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টে পড়েন। স্কুল চালু রাখলে শহরে যাতায়াতের চরম জ্যাম সৃষ্টি হয়, যা জনদূর্ভোগের কারণ।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে স্কুল বন্ধ রাখা হবে নাকি এর বিপক্ষে আপিল করা হবে তা আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
