বিদ্যুৎ না দিয়েও ৪২ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট!

বিদ্যুৎ না দিয়েও ৪২ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট!

জাতীয়

লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় পুড়ছে মানুষ, পকেটে ধরানো হচ্ছে ভূতুড়ে বিল! আর বিদ্যুৎ না দিয়েও বসে বসে ৪২ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে সিন্ডিকেট! আমাদের দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫-১৬ হাজার মেগাওয়াট। আর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদনক্ষমতা ২৮ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। হিসাব অনুযায়ী আমাদের কোনো লোডশেডিং থাকার কথা নয়।

তাহলে কারেন্ট যায় কোথায়? ক্যাপাসিটি চার্জের ফাঁদ : ডলার সংকটে তেল-গ্যাস কিনতে না পারায় অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র অলস বসে আছে।

কিন্তু ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ নামক ভয়ংকর চুক্তির কারণে, বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলেও এসব কেন্দ্রকে বসে বসে হাজার হাজার কোটি টাকা দিতে হচ্ছে! গত বছর এই ভর্তুকি ছিল ৪২ হাজার কোটি টাকা, যা এবার ৬২ হাজার কোটিতে ঠেকতে পারে।
কালো আইন : ২০১০ সালের দায়মুক্তি আইন ব্যবহার করে টেন্ডার ছাড়াই নিজেদের পছন্দের লোকজনকে বিদ্যুৎকেন্দ্র করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

শোষিত হচ্ছে জনগণ : এই অলস কেন্দ্রগুলোকে টাকা দিতে গিয়ে সরকার বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে, আর সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে ভুল রিডিংয়ের ‘ভূতুড়ে বিল’!

দেশীয় গ্যাস তোলা বা সোলার প্যানেল বসানোর দিকে নজর না দিয়ে, আমদানিনির্ভর এই সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে শুধু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পকেট ভারী করার জন্য।

বিশেষজ্ঞদের দাবি—অবিলম্বে ‘নো ইলেকট্রিসিটি, নো পে’ (বিদ্যুৎ না দিলে টাকা নেই) নীতি চালু করতে হবে।

জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এই হরিলুট কি মেনে নেওয়া যায়? আপনার গত মাসের বিদ্যুৎ বিল কত এসেছে?