এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি

শিক্ষা

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের জন্য নতুন বদলি নীতিমালা জারি করেছে সরকার। বুধবার (৬ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে, যা প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার মধ্যে বদলির আবেদন করতে পারবেন। সেখানে পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় আবেদন করার সুযোগ থাকবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা কর্মস্থলের জেলাতেও বদলির আবেদন করা যাবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর চাকরি পূর্ণ হলে বদলির জন্য আবেদন করা যাবে। একইভাবে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পরও পুনরায় বদলির আবেদন করতে দুই বছর অপেক্ষা করতে হবে।

তবে একজন শিক্ষক পুরো কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। আরও বলা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে নারী শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না।

বদলির জন্য আবেদনকারী শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন। কোনো শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন জমা পড়লে নারী প্রার্থী, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর অনলাইনে শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করবে এবং সেই অনুযায়ী আবেদন আহ্বান করা হবে।

তবে যেসব শিক্ষকের এমপিও বন্ধ রয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত আছেন বা যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে, তারা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া জনস্বার্থে সরকার প্রয়োজনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি করতে পারবে।