এটাই সম্ভবত আমার শেষ বিশ্বকাপ, আরেকটি খেলার সামর্থ্য নেই

এটাই সম্ভবত আমার শেষ বিশ্বকাপ, আরেকটি খেলার সামর্থ্য নেই

খেলাধুলা বিনোদন

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আর্জেন্টিনা শিবিরে শুরু হয়েছে পরিবর্তনের আভাস। নিকোলাস ওতামেন্দির অবসরের ঘোষণার পর এবার জাতীয় দল থেকে নিজের সম্ভাব্য বিদায়ের কথা জানালেন ডিফেন্ডার নিকোলাস তালিয়াফিকো।

৩৩ বছর বয়সী এই লেফটব্যাকের মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ। স্ত্রী কারো ক্যালভানির সঙ্গে নিজেদের অফিসিয়াল টুইচ চ্যানেলে আলাপকালে তালিয়াফিকো বলেন, বিশ্বকাপটিকে তিনি এবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ, তার ধারণা ছিল এটিই হয়তো তার শেষ বিশ্বকাপ।

তালিয়াফিকো বলেন, বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনায় ভবিষ্যতে আরেকটি বিশ্বকাপে খেলা তার জন্য কঠিন হতে পারে। তবে এখনই শতভাগ নিশ্চিত করে অবসরের ঘোষণা দিচ্ছেন না তিনি।

আর্জেন্টিনার হয়ে এখন পর্যন্ত ৮৩টি ম্যাচ খেলেছেন তালিয়াফিকো। জাতীয় দলের হয়ে ১০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করার ইচ্ছা থাকলেও সেটি সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলে তালিয়াফিকো রয়েছেন দলের হয়ে সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলা ফুটবলারদের তালিকায় সপ্তম স্থানে। তার ওপরে রয়েছেন লিওনেল মেসি, দিয়েগো ম্যারাডোনা, নিকোলাস ওতামেন্দি, হাভিয়ের মাশ্চেরানো, আনহেল দি মারিয়া ও মারিও কেম্পেস।

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হলেও নিজেদের অর্জন নিয়ে গর্বিত তালিয়াফিকো। তার মতে, ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারও ফাইনালে ওঠা এবং দুটি পদক অর্জন করা আর্জেন্টিনার জন্য বড় সাফল্য।

পরাজয় মেনে নেওয়ার বিষয়েও নিজের উপলব্ধি তুলে ধরে তিনি বলেন, ফুটবলে জয়-পরাজয় থাকবেই। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে মাথা উঁচু করে হার মেনে নেওয়াও সাফল্যের অংশ।

এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে নতুন অধ্যায় শুরু করবে আর্জেন্টিনা। ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল পুনর্গঠনের এই সময়ে তালিয়াফিকোসহ অভিজ্ঞ কয়েকজন খেলোয়াড়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা।