হলিউড অভিনেত্রী সিডনি সুইনি শুধু তার অভিনয় দিয়ে নয়, প্রেমের জীবনের কারণে নিয়েও আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি তিনি ৪৪ বছর বয়সী সংগীত উদ্যোক্তা স্কুটার ব্রৌনের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক শুরু করেছেন। এর আগে সুইনি ব্যবসায়ী জনাথন দাভিনো-এর সঙ্গে সাত বছর সম্পর্ক রাখতেন এবং একসঙ্গে ‘ফিফটি-ফিফটি ফিল্মস’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছিলেন।
ভক্তদের মধ্যে সুইনির বড় বয়সী পুরুষদের প্রতি আগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও যৌন-মনোবিজ্ঞানী সোফি রোস বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন।
সোফি বলেন, “এ ধরনের আকর্ষণ বয়সের কারণে নয়, বরং মানসিক নিরাপত্তা, স্থিতি এবং আবেগীয় পরিপক্বতার প্রতি টান থেকে আসে। যারা সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চিত, তারা প্রায়ই এমন সঙ্গী খোঁজেন যিনি স্থির ও নির্ভরযোগ্য।”
তিনি আরও বলেন, “ছোটবেলায় যারা কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন—যেমন পারিবারিক বিচ্ছেদ বা আর্থিক সংকট—তাদের প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে প্রাপ্তবয়স্ক দায়িত্ব থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম একজন সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পেতে পারে।”
সোফি রোসের মতে, মূল বিষয় হলো সচেতনতা। সম্পর্ক যদি পারস্পরিক সম্মান, সমান মর্যাদা এবং খোলাখুলি যোগাযোগের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে, তাহলে বয়সের পার্থক্য কোনো সমস্যা হয় না।
সিডনি সুইনি প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক এবং স্বনির্ভর। সোফি রোস বলেন, “এ ধরনের সম্পর্কগুলোর মূল ভিত্তি ক্ষমতা নয়, বরং মানসিক সামঞ্জস্য।”
অভিনেত্রী সম্প্রতি সাবেক প্রেমিক দাভিনোর সঙ্গে তীব্র বিতণ্ডার পর প্রকাশ্যে চিৎকার করেছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও আলোচনা হয়েছে। তবে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ব্যবসায়িক সম্পর্ক এখনও বজায় রয়েছে। ‘ফিফটি-ফিফটি ফিল্মস’ সম্প্রতি নারী মুষ্টিযোদ্ধা ক্রিস্টি-এর জীবনীচিত্র প্রযোজনা করেছে।
