রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, রুশ সেনারা ইউক্রেনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শহর—পোকরোভস্ক ও ভোভচানস্ক দখল করেছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) একটি সামরিক কমান্ড পোস্ট পরিদর্শনকালে তিনি এই তথ্য জানতে পারেন বলে রুশ গণমাধ্যম জানায়। তবে পুতিনের এমন দাবি স্পষ্টভাবে উড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেন। বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ।
বিশ্লেষকদের মতে, পুতিনের এই বক্তব্যের লক্ষ্য আসন্ন বৈঠক ও আন্তর্জাতিক চাপের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়া। তবে ইউক্রেনের ৭ম র্যাপিড রেসপন্স কোরসের এয়ার অ্যাসল্ট ফোর্সেস সোমবার (১ ডিসেম্বর) জানায়, পোকরোভস্কে রুশ অগ্রগতি “রোধ করা হয়েছে”। শহরটি ইউক্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা কেন্দ্র, যেখানে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়াই চলছে।
যদিও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবুও ইউক্রেনীয় বাহিনী শহরের বেশ কয়েকটি অংশ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে দাবি করেছে ওই ফোর্সেস।
একই চিত্র দেখা গেছে ভোভচানস্কেও। ইউক্রেনীয় যৌথ বাহিনীর প্রধান কমিউনিকেশন কর্মকর্তা ভিক্টর ট্রেগুবভ জানান, শহরটি সম্পূর্ণ দখল হয়নি; দক্ষিণ অংশসহ বেশ কিছু এলাকায় এখনো ইউক্রেনীয় সেনারা অবস্থান ধরে রেখেছে। যদিও শহরের বেশিরভাগ অংশই বর্তমানে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে পোকরোভস্কে রুশ পতাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়। ভিডিওটি নতুন করে বিতর্ক ও তথ্যযুদ্ধকে আরও তীব্র করেছে।
