ভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাদি হত্যার ‘পরিকল্পনাকারী’ বাপ্পির

ভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাদি হত্যার ‘পরিকল্পনাকারী’ বাপ্পির

আইন-আদালত

ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাম ওঠা সাবেক আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৮-এর বিচারক শহিদুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এ ঘটনায় বাপ্পির আইনজীবী আদালতে জানান, আসামি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় হাজির হতে পারেননি। তবে আদালত তার অসুস্থতার দাবি নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

ডিবি পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা দুটি মামলায় বাপ্পিসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৮ জুলাই পল্লবী থানার পুলিশ কালশী কবরস্থানে অভিযান চালিয়ে বাপ্পি ও তার সহযোগীদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, চারটি গুলি এবং ওজন মাপার একটি যন্ত্র জব্দ করে। পরে যন্ত্রটি থানার ভেতরে বিস্ফোরিত হয়ে চার পুলিশ সদস্য ও এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী গুরুতর আহত হন।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাপ্পি এ ঘটনার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন এবং অন্যান্য আসামিদের অস্ত্র ও বোমা সরবরাহ করেছেন। তিনি ঘটনার তথ্য গোপন করেছিলেন এবং পল্লবী এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য পরিকল্পনা করেছিলেন।

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নুরুল আমিন শেখ, মো. হিরণ ওসমান, মো. জনি, মো. হানিফ, শহিদুল ইসলাম, মো. মোশাররফ হোসেন, আকরাম হোসেন, ইয়াসিন খান, রফিকুল ইসলাম, ইনামুল হোসেন, জামাল শিকদার রবিন এবং মজিবুর রহমান।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর শারীফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মামলার তদন্ত শেষে ৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।