পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দেশের গণপরিবহনগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সপ্তাহখানেকের ছুটি ঘিরে রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত হচ্ছে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ।
রাজধানী থেকে বিভিন্ন রুটে চলাচল করা দূরপাল্লার বাসগুলো যাত্রীসেবা দিতে প্রস্তুত হচ্ছে। তবে পরিবহন মালিকদের নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জ্বালানি ইস্যু নিয়ে। তারা আশা করছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন হবে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ইতোমধ্যে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি চোখে পড়ছে। যাত্রীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বসানো হয়েছে বাঁশের বেষ্টনি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও বাড়ানো হয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাওয়া-আসার অগ্রিম টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হয়েছে। তবে টিকিট না পেয়ে অনেক যাত্রীকে কমলাপুরে ঘুরতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে নৌপথেও সমানতালে চলছে প্রস্তুতি। সদরঘাটে লঞ্চগুলোকে রং করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। বাসের চাপে নৌপথের গুরুত্ব কমে গেলেও ঈদের সময় লঞ্চের যাত্রী বাড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সময়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় লাখ মানুষ নৌপথে যাতায়াত করবেন।
ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে ঘাট এলাকায় কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও র্যাব টহলে থাকবে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে টার্মিনালগুলোতে নজরদারি জোরদার করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
