সরকার ই-সিগারেট উৎপাদন ও বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে ই-সিগারেটকে ‘নিষেধাজ্ঞা’ থেকে ‘নিয়ন্ত্রিত বিক্রয়’ কাঠামোর আওতায় আনছে।
সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে পূর্বের কঠোর বিধানগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। এই খসড়া দ্রুত লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে পাঠানো হবে।
বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন-বেন্ডস্টা মনে করে, এই পরিবর্তন নিষেধাজ্ঞার চেয়ে বাস্তবসম্মত। সুমন জামান বলেন, তরুণরা ই-সিগারেট ব্যবহার বন্ধ করেনি, বরং অবৈধ পথে পণ্য সহজলভ্য হচ্ছে। তাই বয়স যাচাই, লাইসেন্সভিত্তিক বিক্রয়, বিজ্ঞাপন সীমাবদ্ধতা এবং কঠোর তদারকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত বিক্রয় তরুণদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে এবং সরকারের জন্যও রাজস্ব আয়ের সুযোগ বাড়ায়।
বিশ্বব্যাপী গবেষণা ও যুক্তরাজ্যের নির্দেশিকায় ই-সিগারেটকে ধূমপান ছাড়াতে কার্যকর সহায়ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারও এই নতুন নীতিনির্ভর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনস্বাস্থ্য এবং তরুণদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে।
