ডিপাইয়ের হেডব্যান্ড পরে খেললেন নেইমার, জানালেন বন্ধুত্বের গল্প

ডিপাইয়ের হেডব্যান্ড পরে খেললেন নেইমার, জানালেন বন্ধুত্বের গল্প

খেলাধুলা

ফুটবল মাঠে দুই ভিন্ন দলের হয়ে লড়াই করলেও মাঠের বাইরে নেইমার ও মেম্ফিস ডিপাইয়ের বন্ধুত্ব এখনো অটুট। ব্রাজিলের শীর্ষ লিগে করিন্থিয়ান্স ও সান্তোসের ম্যাচে সেই বন্ধুত্বেরই আরেকটি দৃষ্টান্ত দেখা গেল।

করিন্থিয়ান্সের ডাচ তারকা মেম্ফিস ডিপাইয়ের কাছ থেকে একটি হেডব্যান্ড চেয়ে নেন সান্তোসের অধিনায়ক নেইমার। পরে সেই হেডব্যান্ড মাথায় পরেই পুরো ম্যাচ খেলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

ম্যাচ শেষে হেডব্যান্ডটি পরার কারণও জানান নেইমার। তিনি বলেন, এটি মেম্ফিস ডিপাইয়ের প্রতি সম্মান জানাতেই ব্যবহার করেছেন। গত বছর ডিপাই তাকে একটি হেডব্যান্ড উপহার দিয়েছিলেন। সেটির কথা ভুলে যাওয়ায় এবার নতুন আরেকটি হেডব্যান্ড চেয়েছেন বলে জানান নেইমার।

নেইমার বলেন, ‘‘এটা মেম্ফিসের জন্যই। গত বছর সে আমাকে যে হেডব্যান্ড উপহার দিয়েছিল, সেটির কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। এবার তার কাছে আরেকটি চেয়েছি। মৌসুমের বাকি সময় আমি এটি পরেই খেলব।’’

ডিপাইয়ের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন নেইমার। তার ভাষায়, মাঠে তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও মাঠের বাইরে তারা বন্ধু।

নিও কিমিকা অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে অবশ্য জয় পেয়েছে নেইমারের দল সান্তোস। করিন্থিয়ান্সকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। ম্যাচের একমাত্র গোলে সরাসরি অবদানও ছিল নেইমারের।

খেলার ৩৩ মিনিটে নেইমারের নেওয়া ফ্রি-কিক করিন্থিয়ান্সের পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল পেয়ে ক্রিস্টিয়ান অলিভা সহজেই সেটি জালে পাঠান। শেষ পর্যন্ত ওই গোলেই নিশ্চিত হয় সান্তোসের জয়।

নেইমার ও ডিপাইয়ের বন্ধুত্ব বেশ পুরোনো। দুই তারকা ভিন্ন ক্লাবের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কে তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং নিয়মিত যোগাযোগের পাশাপাশি মাঠেও একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আসছেন তারা।

বার্সেলোনা, পিএসজি ও আল হিলালের অধ্যায় পেরিয়ে গত বছর শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরেছেন নেইমার। ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি চলতি বছরের শেষ দিন পর্যন্ত। তাই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত ডিপাইয়ের দেওয়া হেডব্যান্ড পরে খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, আতলেতিকো মাদ্রিদ ছেড়ে ২০২৪ সালে ব্রাজিলের ক্লাব করিন্থিয়ান্সে যোগ দেন মেম্ফিস ডিপাই। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও নেইমারের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ফুটবলের সৌহার্দ্যেরই সুন্দর উদাহরণ হয়ে উঠেছে।