ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই সময়ে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে যেখানে বাংলাদেশ থেকে ইইউর বাজারে পোশাক রফতানি হয়েছিল প্রায় ৫৪ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ইউরোর, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ইউরোতে। অর্থমূল্যের পাশাপাশি রফতানির পরিমাণও কমেছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই সময়ে বাংলাদেশ প্রায় ২ হাজার ৬৮৯ মিলিয়ন কেজি পোশাক রফতানি করেছিল। ২০২৬ সালের একই সময়ে রফতানির পরিমাণ কমে হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৬০২ মিলিয়ন কেজি।
এদিকে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের গড় মূল্যও কমেছে। একই সময়ে চীন ও ভিয়েতনাম নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে দেখা গেছে।mতবে সাম্প্রতিক দুই মাসের হিসাবে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত হিসাবে ইইউর বাজারে বাংলাদেশি পোশাক রফতানি কমেছিল ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
জুলাইয়ের হিসাব যুক্ত হওয়ার পর কমার হার নেমে এসেছে ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশে।
জুন ও জুলাই মাসে পোশাক রফতানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হওয়ায় সামগ্রিক পতনের হার কিছুটা কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।
