ইরানের বিমান চলাচল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পরও তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রামিন কাশেফ-আজার।
ইরানি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার দিন ২৩ সেপ্টেম্বরও বিমানবন্দরটিতে সফলভাবে ৬০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। পাশাপাশি ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে নিয়মিত বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর ইরানের বিমান চলাচল খাতের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়। ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আগে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় না থাকা ইরানের আরও ২৭টি বিমান সংস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, ইরানি বিমান সংস্থার উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ, অবতরণ-সংক্রান্ত সেবা কিংবা টিকিট বিক্রির মতো কাজে যুক্ত বিমানবন্দর ও প্রতিষ্ঠানগুলোও গৌণ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এতে এসব প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
এরই মধ্যে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগে পড়তে শুরু করেছে। ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানি ফ্লাইট স্থগিত করেছে। একইভাবে ইরাকের চারটি বিমানবন্দরও ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করেছে।
তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানের বিভিন্ন বিমান সংস্থা চীন, রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পরও দেশটির প্রধান বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
