ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রাম গ্রুপে মাদক বিক্রি, লক্ষ্য দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রাম গ্রুপে মাদক বিক্রি, লক্ষ্য দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা দুর্নীতি দেশ জুড়ে শিক্ষা

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঘিরে অনলাইনে মাদক বিক্রির একটি চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি ওয়েবসাইট ও গোপন টেলিগ্রাম গ্রুপ ব্যবহার করে ‘কুশ’ ও ‘সিনথেটিক গাঁজা’ বিক্রি করত। এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চক্রটির সদস্যরা ক্যাম্পাস এলাকায় ঘুরে মাদক সেবন করেন—এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে কিউআর কোডযুক্ত কার্ড বিতরণ করতেন। ওই কোড স্ক্যান করলে একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যেত। পরে আগ্রহীদের একটি গোপন টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করা হতো বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, মাদক কারবারিরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন নতুন কৌশলে মাদক বিক্রির চেষ্টা করছেন। সাইবার প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে এ ধরনের কার্যক্রম শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।

তিনি জানান, অভিযানে উচ্চমাত্রার সিনথেটিক গাঁজা, কুশের বীজ এবং মাদক প্রক্রিয়াজাতকরণের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একজন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থী থাকার দাবি

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদের নেতৃত্বে গত শুক্রবার রাজধানীর ভাটারার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ সাইম ইসলাম (১৯) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে সাইম জানান, তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। প্রায় দুই মাস আগে অনলাইনে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন। ওই ওয়েবসাইটে আসা আগ্রহীদের নিয়ে পরে টেলিগ্রামে একটি গোপন গ্রুপ গড়ে তোলেন।

কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গ্রুপে দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী যুক্ত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে মাদক সেবনকারীরাও রয়েছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।

সাইমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই মাস ধরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত