সব ধরনের দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিতের নির্দেশ স্থানীয় সরকার বিভাগের

সব ধরনের দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিতের নির্দেশ স্থানীয় সরকার বিভাগের

বাংলাদেশ

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত সংশোধিত অধ্যাদেশের আওতায় নতুন বিধিমালা প্রণয়ন ও রেট শিডিউল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কাজ, সেবা ও পণ্য সরবরাহসংক্রান্ত দরপত্র এবং ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব এ বি এম আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিটি দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কেন দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত?

স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর আওতায় বিধিমালা প্রণয়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এবং নতুন রেট শিডিউল প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব কাজ, সেবা ও পণ্য সরবরাহের দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত রাখতে হবে।

এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা জারি না হওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

যেসব প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে নির্দেশনা

স্থানীয় সরকার বিভাগের এ নির্দেশনা দেশের সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিষদের প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

উন্নয়নকাজ ও ক্রয়প্রক্রিয়ায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

নতুন নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন দরপত্র আহ্বান এবং কাজ, সেবা ও পণ্য কেনার ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। তবে ইতিমধ্যে কার্যাদেশ দেওয়া কাজ কিংবা চলমান প্রকল্পের বিষয়ে চিঠিতে পৃথক কোনো নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়নি।

একই সঙ্গে নতুন বিধিমালা প্রণয়ন ও রেট শিডিউল প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়সীমাও জানানো হয়নি। ফলে স্থগিতাদেশ কত দিন বহাল থাকবে এবং চলমান ক্রয়প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

নতুন বিধিমালা প্রণয়ন ও রেট শিডিউল প্রকাশের পর স্থানীয় সরকার বিভাগের পরবর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রয়প্রক্রিয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।