জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘জাতির পিতা’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। দুঃখ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ আলোচনা সভা হওয়ার কথা ছিল। তবে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা আপত্তি জানান। পরে তাঁর ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার স্কচটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটানোর পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে প্রায় আধা ঘণ্টা দেরি হয়।
সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘জাতির পিতা’ সম্বোধন করেন জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান। এ নিয়ে আবারও হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ মঞ্চের ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। পরে মারুফ হাসানকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে সভা আবার শুরু হয়।
ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান। তাঁরা এ ঘটনাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন। ব্যানারে ছবি না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যানারটি তৈরি করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, সিভিল সার্জন আল-মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
