জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কার ও জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের পূর্ণ এখতিয়ার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ডিক্যাব আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ সংস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একান্তই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের। বিদেশি রাষ্ট্র বা কূটনৈতিক মহলের হস্তক্ষেপ এখানে প্রযোজ্য নয়।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের কোটা-ফ্রি সুবিধা আগের মতোই বহাল থাকবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে। তবে আইনি জটিলতার কারণে এই প্রক্রিয়া কিছুটা সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত কেউ যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলে দেশটির নীতিমালা অনুযায়ী তাদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হবে না বলেও জানান তিনি। তার এই বক্তব্যকে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
