হামে শিশুমৃত্যু নিয়ে নীরবতা কেন? সুশীল সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

হামে শিশুমৃত্যু নিয়ে নীরবতা কেন? সুশীল সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয়

দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মী ও পরিচিত ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিভিন্ন সময়ে পরিবেশ, সড়ক নিরাপত্তা কিংবা মানবাধিকার ইস্যুতে সক্রিয় থাকা ব্যক্তিরা বর্তমান পরিস্থিতিতে তুলনামূলক নীরব বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্লেষক ও সামাজিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

অতীতে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক ইস্যুতে প্রতিবাদ কর্মসূচি, মানববন্ধন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা গেছে পরিবেশবাদী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের। বিশেষ করে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে গাছ রক্ষার আন্দোলন, সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন এবং বিভিন্ন মানবাধিকার ইস্যুতে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি আলোচনায় এসেছিল।

তবে বর্তমানে হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ও স্বাস্থ্যসেবার সংকট নিয়ে একই ধরনের দৃশ্যমান প্রতিবাদ কম দেখা যাচ্ছে বলে মত দিয়েছেন অনেকে। তাদের প্রশ্ন, শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও টিকাদান ব্যবস্থার ঘাটতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেন জোরালো অবস্থান দেখা যাচ্ছে না। এদিকে স্বাস্থ্যখাতে টিকা সরবরাহ, ব্যবস্থাপনা ও সরকারি উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মহলের দাবি, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে অনেক শিশুর প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হতে পারত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে শিশুস্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন তারা।শিশুমৃত্যুর মতো সংবেদনশীল বিষয়ে দায় নিরূপণ, স্বাস্থ্যসেবার দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।