ইংল্যান্ড শিবিরের কাছেই গোলাগুলি, নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপে

ইংল্যান্ড শিবিরের কাছেই গোলাগুলি, নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপে

খেলাধুলা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে গোলাগুলির ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের নির্ধারিত বেসক্যাম্পের কাছাকাছি এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় শনিবার (৬ জুন) ভোর প্রায় ৪টার দিকে কানসাস সিটির ট্রুস্ট অ্যাভিনিউ এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা। এরপর পুরো এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, আহত ৯ জনকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কারও আঘাত প্রাণঘাতী নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আহতদের পরিচয় ও শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনাস্থলটি ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অনুশীলন কেন্দ্র থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। বিশ্বকাপ চলাকালে কানসাস সিটিকেই নিজেদের বেসক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করবে ইংল্যান্ড।

ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে। মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ উপলক্ষে কানসাস সিটিতে অবস্থান করা বিভিন্ন জাতীয় দলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বাড়ানো হচ্ছে।

শুধু ইংল্যান্ড নয়, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, নেদারল্যান্ডস ও আলজেরিয়াও তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প কানসাস সিটিতে স্থাপন করার পরিকল্পনা করেছে। ফলে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আয়োজকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড। তবে মাঠের বাইরের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

আয়োজকরা জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট চলাকালে অংশগ্রহণকারী দল, কর্মকর্তা ও দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।