পরীমনির গাড়ি বিতর্কে ‘মাসরুর’ নাম নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি

পরীমনির গাড়ি বিতর্কে ‘মাসরুর’ নাম নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি

বিনোদন

চিত্রনায়িকা তমা মির্জার একটি ব্যাংকে যোগদানের বিষয়কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাংক ও বিনোদনজগতের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই পুরোনো পরীমনি-মাসরুর বিতর্কও আবার সামনে এসেছে।

২০২১ সালে পরীমনিকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা দামের একটি বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দেওয়ার অভিযোগে সিটি ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনের নাম আলোচনায় আসে। তবে শুরু থেকেই অভিযোগটি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করে আসছেন তিনি।

সে সময় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তথ্যগত ভুলের কারণে মাসরুর আরেফিনের নাম আসার পর বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। পরে দৈনিক ইত্তেফাক ২৪ আগস্ট ২০২১ তারিখে প্রকাশিত এক সংশোধনীতে স্বীকার করে যে, পরীমনি-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে মাসরুর আরেফিনের নাম এবং সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ‘শওকত রুবেল’ নাম উল্লেখ—দুটিই ভুল ছিল। একই সঙ্গে পত্রিকাটি মাসরুর আরেফিনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে এবং পরীমনির ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানায়।

এদিকে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্যে দাবি করা হচ্ছে, আলোচিত ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন; বরং খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতু। তবে এসব দাবির স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য যাচাই পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের সূত্র হিসেবে তৎকালীন ডিবি কর্মকর্তা হারুনের বক্তব্য, পরীমনির সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির যোগাযোগ এবং বোট ক্লাব-কাণ্ড-পরবর্তী নানা আলোচনা তুলে ধরা হচ্ছে। তবে এসব বক্তব্যের অনেকগুলোই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত দাবি ও সূত্রনির্ভর তথ্য; সেগুলোকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার আগে স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে পরীমনির গাড়ি বিতর্কে ‘মাসরুর’ নামটি ঘিরে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—সিটি ব্যাংকের সাবেক এমডি মাসরুর আরেফিনের নাম সংবাদে ভুলভাবে এসেছিল বলে সংশোধনীতে স্বীকার করা হয়েছিল। নতুন করে অন্য একজন ‘মাসরুর’-এর নাম সামনে আসার দাবিও এখন যাচাইয়ের দাবি রাখে।