কত টাকা আয় করেন মাহিরা

কত টাকা আয় করেন মাহিরা

বিনোদন

পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল, ধনী অভিনেত্রীদের একজন মাহিরা খান। বিয়ের পর থেকে একের পর এক নানা কিছু নিয়ে আলোচনায় আছেন। নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যে বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডগুলো তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক মাহিরা খানের আয় ও সৌন্দর্য নিয়ে কিছু অজানা তথ্য।

সফল এই অভিনেত্রীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট। কোকাকোলা, পেপসি, লাক্স, মেবিলাইন, ল’রিয়েলসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর তিনি। সর্বশেষ বিউটি ব্র্যান্ড অ্যালিউরের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনি
সফল এই অভিনেত্রীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট। কোকাকোলা, পেপসি, লাক্স, মেবিলাইন, ল’রিয়েলসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের

মাহিরা তাঁর ক্লোদিং ব্র্যান্ডের প্রথম সংগ্রহ উৎসর্গ করেন তাঁর নানিকে
অনলি মাই হেলথ অনুসারে মাহিরা খানের সৌন্দর্যের মূল, মিনিমাল মেকআপ। শুটিং শেষে মেকআপ ভালোভাবে তুলে ফেলেন। ময়েশ্চারাইজার মেখে ঘুমান। ক্লিনজার আর সিরাম ব্যবহার করতে ভোলেন না
অনলি মাই হেলথ অনুসারে মাহিরা খানের সৌন্দর্যের মূল, মিনিমাল মেকআপ। শুটিং শেষে মেকআপ ভালোভাবে তুলে ফেলেন। ময়েশ্চারাইজার মেখে ঘুমান। ক্লিনজার

তবে মাহিরার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এমন জীবন যাপন করেন, যাতে তাঁকে স্ট্রেসে পড়ে রাতের ঘুমের বারোটা না বাজাতে হয়
তবে মাহিরার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এমন জীবন যাপন করেন, যাতে তাঁকে স্ট্রেসে পড়ে রাতের ঘুমের বারোটা না বাজাতে হয়ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

করাচিতে আর্ট কাউন্সিল অব পাকিস্তানের অনুষ্ঠানে গিয়ে মাহিরা বলেন, ‘আমি এমনভাবে জীবন যাপন করি, যাতে কোনো কিছু আমার রাতের গভীর ঘুমকে স্পর্শ করতে না পারে। আমি অনেক কাজ করি না। জীবনে আমি অনেক কিছু করে ফেলতে চাই, এমনও না। আমি কেবল নিজের কাজটা মন দিয়ে ভালোভাবে করতে চাই। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে রাতে আরাম করে ঘুমাতে চাই। সকালে উঠে আবার নতুন করে ফুল এনার্জি নিয়ে ইতিবাচকতায় ভরপুর হয়ে দিন শুরু করতে চাই।’

করাচিতে আর্ট কাউন্সিল অব পাকিস্তানের অনুষ্ঠানে গিয়ে মাহিরা বলেন, ‘আমি এমনভাবে জীবন যাপন করি, যাতে কোনো কিছু আমার রাতের গভীর ঘুমকে স্পর্শ করতে না পারে। আমি অনেক কাজ করি না। জীবনে আমি অনেক কিছু করে ফেলতে চাই, এমনও না। আমি কেবল নিজের কাজটা মন দিয়ে ভালোভাবে করতে চাই। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে রাতে আরাম করে ঘুমাতে চাই। সকালে উঠে আবার নতুন করে ফুল এনার্জি নিয়ে ইতিবাচকতায় ভরপুর হয়ে দিন শুরু করতে চাই।’