বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, বন্ধ থাকা কয়েকটি জুটমিল ইজারার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এসব মিল চালু হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
মঙ্গলবার সকালে নরসিংদীর পলাশে কো-অপারেটিভ জুট মিলস ও বাংলাদেশ জুট মিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার মূলত পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ এবং বেসরকারি শিল্প উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে জুটমিলগুলো পরিচালনায় আগ্রহী। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে এসব শিল্পাঞ্চল পুনরায় সচল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে অর্থনীতিতে গতি আসে।
তিনি আরও বলেন, একসময় নরসিংদীর এসব মিল এলাকায় হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। মিলগুলো পুনরায় চালু হলে স্থানীয় জনবল থেকেই প্রায় শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। তবে কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ পদের জন্য বাইরে থেকে লোক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোনালী আঁশ পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পাটবীজের মানোন্নয়ন ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে কাজ করে দেশি বীজের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি বীজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা যায়।
তিনি আরও জানান, কৃষকরা যাতে পাটের ন্যায্য মূল্য পান, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। বর্তমানে পাটের দাম মণপ্রতি পাঁচ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা আগে প্রায় তিন হাজার টাকা ছিল।
পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব, উপসচিব এবং বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
