আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে সোনার দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতে সাময়িক বিরতি, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমে আসা এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের নীতি-নির্ধারণী বৈঠককে ঘিরে সুদের হার ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমে যাওয়ায় মূল্যবান ধাতুর বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০.৯ শতাংশ বেড়ে ৪,০৮৯.০৩ মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪,০৯০.৮০ মার্কিন ডলারে দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষক রস নরম্যান বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আপাতত শান্ত থাকায় সপ্তাহের শুরুতেই মূল্যবান ধাতুর বাজার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে তেলের দাম, মার্কিন ডলার এবং ট্রেজারি ইল্ড কমায় সোনার বাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়ায় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বজায় রাখতে উৎসাহিত করে। তবে বর্তমানে তেলের দাম কমে আসায় সেই চাপ কিছুটা কমেছে, যা সোনার দামের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
এদিকে, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। প্রতি আউন্স রুপার দাম ১.৭ শতাংশ বেড়ে ৫৯.১৫ ডলার, প্ল্যাটিনাম ২.৭ শতাংশ বেড়ে ১,৬৩১.২০ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ৩.৩ শতাংশ বেড়ে ১,২৮৪ ডলারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, দেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা রয়েছে।
