ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশু রয়েছে। হামলাটিকে রাশিয়ার অন্যতম ‘জঘন্য হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ অঞ্চলের প্রিলুকিতে। সেখানে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ভবনটির একটি অংশ ধসে পড়ে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে প্রিলুকিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়ায়। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশু রয়েছে। এছাড়া সেখানে ৫৪ জন আহত হয়েছেন বলে ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন।
রাজধানী কিয়েভেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে রুশ হামলা ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের কারণে চারজন নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ইউক্রেনজুড়ে প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
হামলার পর জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার চালানো হামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম ‘জঘন্য হামলা’। তিনি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
এদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের সামরিক ও সামরিক-শিল্প স্থাপনা। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় নির্দিষ্ট সামরিক ও শিল্প অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার ছোড়া বিপুলসংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বেশিরভাগই প্রতিহত করা হয়েছে। তবে জেলেনস্কি বলেছেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা এখনও ইউক্রেনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
