চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত ১৩ বছর বয়সী শিশু রেশমি আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। একটি গুলি তার বাম চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার ভেতরে অবস্থান করছে। চিকিৎসকদের মতে, মস্তিষ্কে থাকা গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব নয়, ফলে তার জীবন নিয়ে শঙ্কা আরও বেড়েছে। বর্তমানে রেশমি আক্তার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে পড়েছে।
চমেক হাসপাতালের এনেসথেসিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক বাকী বিল্লা জানান, শিশুটির হার্ট ও ফুসফুসসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো মেশিন ও ওষুধের সহায়তায় সচল রাখা হয়েছে। তার অবস্থার অবনতি হলে যেকোনো সময় ক্লিনিক্যালি ডেথ ঘোষণা করতে হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ শহীদ মিনার গলিতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোহাম্মদ হাসান রাজু নামে এক যুবক নিহত হন। ওই সময়ই রেশমি আক্তার গুলিবিদ্ধ হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, রেশমি বাসা থেকে দোকানে পান কিনতে যাওয়ার সময় হঠাৎ গুলির শব্দ হয় এবং একটি গুলি তার চোখে লাগে। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রেশমির বড় ভাই ফয়সাল আহমেদ বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। পরিবার এখন চরম হতাশা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। রেশমি পরিবারের সবচেয়ে ছোট সন্তান।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘটনার তদন্ত ও জড়িতদের শনাক্তে একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
