ফুটবল থেকে বিদায়ের পর যাদের শূন্যতা পোড়ায়, তাদেরই ব্যালন ডি’অর পাওয়া উচিত: মরিনহো

ফুটবল থেকে বিদায়ের পর যাদের শূন্যতা পোড়ায়, তাদেরই ব্যালন ডি’অর পাওয়া উচিত: মরিনহো

খেলাধুলা

শুধু দলীয় সাফল্য নয়, একজন ফুটবলারের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও প্রভাবকেই ব্যালন ডি’অর জয়ের প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত বলে মনে করেন হোসে মরিনহো। তার মতে, যেসব খেলোয়াড় অবসরে গেলে ফুটবলপ্রেমীরা দীর্ঘদিন তাদের অভাব অনুভব করবেন, তারাই এই পুরস্কারের প্রকৃত দাবিদার।

মরিনহোর দৃষ্টিতে ব্যালন ডি’অর কেবল চ্যাম্পিয়নস লিগ বা বিশ্বকাপ জয়ের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে দিয়েগো ম্যারাডোনা, রোনালদিনিও, রোনালদো নাজারিও, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, জিনেদিন জিদান ও লোথার ম্যাথাউসের মতো কিংবদন্তিদের কথা উল্লেখ করেন।

মরিনহো বলেন, শুধু কোনো খেলোয়াড় চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা বিশ্বকাপ জিতেছেন বলেই তাকে ব্যালন ডি’অর দেওয়া উচিত নয়। দলীয় সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাওয়া দরকার।

কোচ হিসেবে দলীয় সাফল্যের মূল্যায়ন করতে চাইলে লুইস এনরিকে কিংবা লুইস দে লা ফুয়েন্তের মতো কোচদের স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে বলেও মত দেন মরিনহো। তার মতে, খেলোয়াড় ও কোচের অবদানের মূল্যায়ন আলাদা মানদণ্ডে হওয়া উচিত।

এবারের ব্যালন ডি’অর আলোচনায় স্পেনের রদ্রি, লামিনে ইয়ামাল এবং পিএসজির উসমান দেম্বেলের মতো তারকারা থাকলেও মরিনহোর বক্তব্যে কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রতি স্পষ্ট সমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এমবাপ্পে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগে দুর্দান্ত গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপেও গোল্ডেন বুট জিতে ব্যক্তিগত সাফল্যের নজির গড়েছেন।

মরিনহো বলেন, সেরা খেলোয়াড় পিএসজি বা স্পেনেরই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তার মতে, দুই-তিন কিংবা চারজন খেলোয়াড়ের মধ্যে লড়াই থাকতে পারে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যক্তিগতভাবে কে ইতিহাস তৈরি করেছেন, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

ব্যালন ডি’অর নিয়ে আলোচনায় দলীয় অর্জনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।