শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বিতরণ করা কি নিষেধ?

শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বিতরণ করা কি নিষেধ?

ইসলামে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ রাত। রাসুল (সা.) বলেছেন, يطلع الله إلى خلقه في ليلة النصف من شعبان، فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن. আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে তার সৃষ্টিকুলের দিকে দয়ার দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫ এ রাতটিই আমাদের দেশে […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
শবে বরাতে যে আমলগুলো করবেন

শবে বরাতে যে আমলগুলো করবেন

আরবি মাসগুলোর মধ্যে শাবান বিশেষ ফজিলতপূর্ণ মাস। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের পরে এ মাসটিতে সবচেয়ে বেশি রোজা রাখতেন। শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতটির বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। রাসুল (সা.) বলেছেন, يطلع الله إلى خلقه في ليلة النصف من شعبان، فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن. আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে তার সৃষ্টিকুলের দিকে […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
ওমরাহ বা হজ্জের সময় আমার মাসিক শুরু হলে কি হবে

ওমরাহ বা হজ্জের সময় মাসিক শুরু হলে কি হবে

হজ করার জন্য বছরের একটি সময় নির্ধারিত হলেও ওমরাহ বছরের যেকোন সময় করা যায়। ইসলামে ওমরাহ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। রাসুল (সা.) বলেছেন, এক ওমরাহর পর অন্য ওমরাহ উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের গোনাহের জন্য কাফফারাস্বরূপ। (সহিহ বুখারি: ১৭৭৩) আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ওমরাহ দারিদ্র্য ও গোনাহ দূর করে দেয়, যেমন কামারের হাপরের আগুনে লোহা ও সোনা-রুপার […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
আত্মহত্যাকারীর জানাযা পড়ার বিষয়ে ইসলাম যা বলে

আত্মহত্যাকারীর জানাযা পড়ার বিষয়ে ইসলাম যা বলে

আত্মহত্যা একটি কবিরা গুনাহ বা বড় পাপ। আত্মহত্যাকারী কবিরা গুনাহে লিপ্ত হওয়ার কারণে পাপী ও ফাসেক; কিন্তু সে কাফের নয়। তাই তার জানাজা পড়তে হবে। বর্ণিত রয়েছে, ইবরাহিম নাখঈকে (রহ.) প্রশ্ন করা হয়েছিল, আত্মহত্যাকারীর জানাজা পড়া যাবে কি না। তিনি উত্তরে বলেছিলেন, হ্যাঁ, তার জানাজা পড়াটাই সুন্নাহ অর্থাৎ নবিজি (সা.) ও তার সাহাবীদের সময় থেকে […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
ওমর (রা.) তালহা (রা.)–কে ‘সাহেবে ওহুদ’ বলে ডাকতেন

ওমর (রা.) তালহা (রা.)–কে ‘সাহেবে ওহুদ’ বলে ডাকতেন

হিজরি তৃতীয় সনে মক্কার অবিশ্বাসীদের সঙ্গে সংঘটিত হয় ওহুদ যুদ্ধ। এ যুদ্ধে হজরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.) এক হাতে তলোয়ার আর অন্য হাতে বর্শা নিয়ে কাফিরদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালান। যুদ্ধের একপর্যায়ে মুসলিম বাহিনী বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। তখন অল্প কজন সৈনিক আল্লাহর রাসুল (সা.)–কে ঘিরে প্রতিরোধ সৃষ্টি করেন। হজরত তালহা (রা.) তাঁদের অন্যতম।এ যুদ্ধে রাসুল […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
হজরত আলী (রা.) ছিলেন জ্ঞানের ভান্ডার

হজরত আলী (রা.) ছিলেন জ্ঞানের ভান্ডার

আলী (রা.) ছিলেন রাসুল (সা.)–এর আপন চাচাতো ভাই, রাসুল (সা.)–এর চাচা আবু তালিবের ছেলে। রাসুল (সা.)–এর নবুয়ত প্রাপ্তির সময় তাঁর বয়স ছিল ১০ বছর। সে সময় তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। কিশোরদের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম মুসলিম। রাসুল (সা.)–এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে তিনি শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ছিলেন কোরআনের হাফেজ এবং একজন শ্রেষ্ঠ মুফাসসির। আলী (রা.) নিজেই […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার নাম

হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার নাম

নবী সোলায়মান (আ.)–এর সময়ে ওই দুই ফেরেশতা বাবেল শহরে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। হারুত–মারুত কিছু লোককে জাদু শিখিয়েছিলেন। শেখানোর শর্ত ছিল, সেই জাদু কারও ওপর প্রয়োগ করা যাবে না। জাদুবিদ্যা যে আসলে মন্দ, সবাইকে এটা শেখানোর জন্যই তাঁরা এসেছিলেন। নবীরা মুজিজা দেখান। মুজিজা জাদু নয়। কোরআনে সুরা বাকারায় আছে ‘আর সোলায়মানের রাজত্বে শয়তানেরা যা আওড়াত তারা (সাবাবাসীরা) […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
এক অবিশ্বাসীর মৃত্যুতে রাসুল (সা.)-এর সহৃদয়তা

এক অবিশ্বাসীর মৃত্যুতে রাসুল (সা.)-এর সহৃদয়তা

আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ছিলেন একজন মুনাফিক সরদার। তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ ছিল রাসুল (সা.)-এর একনিষ্ঠ সাহাবি। আবদুল্লাহ ইবনে উবাইর মৃত্যুর সময় তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ নবীজি (সা.)-এর কাছে দৌড়ে এলেন। রাসুল (সা.)-এর কাছে আবেদন জানিয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর নবী! আপনার পবিত্র মুখে খানিকটা পানি নিয়ে সেটি গ্লাসে দেবেন? হয়তো আপনার মুখের ছোঁয়া পানির বরকতে আমার আব্বা মুসলমান […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
গোসল ফরজ অবস্থায় কোরআনে উল্লিখিত দোয়া পড়া যাবে?

গোসল ফরজ অবস্থায় কোরআনে উল্লিখিত দোয়া পড়া যাবে?

গোসল ফরজ অবস্থায় কোরআন তিলাওয়াত করা নিষিদ্ধ। তবে দোয়া-দরুদ, জিকির, তাসবিহ পড়া জায়েজ। কোরআনে উল্লিখিত দোয়াগুলোও পড়া জায়েজ। মা’মার (রহ.) বলেন, আমি ইমাম জুহরিকে (রহ.) জিজ্ঞাসা করলাম, যার উপর গোসল ফরজ সে কি আল্লাহর জিকির করতে পারবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, পারবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কোরআন তিলাওয়াত করতে পারবে? তিনি বললেন, না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক)ইবরাহিম নাখঈ […]

সম্পূর্ণ পড়ুন
সাদ (রা.)–এর ইসলাম গ্রহণ

সাদ (রা.)–এর ইসলাম গ্রহণ

সাহাবি সাদ ইবনে ওয়াক্কাস (রা.) সম্পর্কে কোরআনে কয়েকটি আয়াত নাজিল হয়। তিনি ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর মা হামনা বিনতে সুফিয়ান বিন উমাইয়া তাঁকে বললেন, হে সাদ! আমি শুনতে পেলাম তুমি ধর্মত্যাগী হয়েছ? তুমি যতক্ষণ পর্যন্ত মুহাম্মদ (সা.)–কে অমান্য না করবে এবং তোমার আগের ধর্মে ফিরে না আসবে ততক্ষণ আমি খাবার খাব না।   ঘরের ভেতরেও […]

সম্পূর্ণ পড়ুন