যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ইরান। রোববার (১ মার্চ) সকালে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য প্রচার করা হয়।
আইআরআইবি জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ‘শাহাদাত বরণ করেছেন’ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, শনিবার ভোরে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
শনিবার খামেনির বাসভবন কমপ্লেক্সের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে বিবিসি। প্রকাশিত ছবিতে স্থাপনাটির কিছু অংশ ধসে পড়া এবং আশপাশে বিস্ফোরণের চিহ্ন দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে নিজ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে খামেনি নিহত হন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনব্যবস্থা চালু হয়। বিপ্লবের মাধ্যমে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে দেশে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে দুজন সুপ্রিম লিডার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধি সিনিয়র ধর্মীয় নেতাদের জন্য ব্যবহৃত হয়। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন।
