ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনার প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে অস্থিরতায় অনেক দেশে ইতোমধ্যে জ্বালানির দাম বেড়েছে।
এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। হরমুজ প্রণালি পার হতে না পারায় বাংলাদেশগামী কিছু জাহাজ সমুদ্রে আটকে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা। ইরান বাংলাদেশগামী জাহাজ চলাচলে সহায়তার আশ্বাস দিলেও এর মধ্যে কয়েকটি জ্বালানি চালান বাতিল হয়েছে।
এখন পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সরকার বলছে, তেল মজুত ও আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটার কারণেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এদিকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির কারণে সরকারি তহবিলে চাপ বাড়ছে। দেশের স্বার্থে শিগগিরই জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
বর্তমানে দেশে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও অনেক দেশে দাম বেশি।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে নতুন করে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে, যেখানে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম প্রায় ২০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
