শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই নতুন দিন ধার্য করেন। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন: সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, মো. জাহেদ কামাল, মো. হুমায়ুন কবির ও তানভির নিজাম।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৭ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শেয়ার বাজারে কারসাজি, জুয়া এবং গুজবের মাধ্যমে বাজারের নিয়ম লঙ্ঘন করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করেছেন।
প্রতারণাপূর্বক, নির্দিষ্ট কিছু শেয়ার ক্রমাগত ক্রয়-বিক্রয় করে কৃত্রিমভাবে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ওই শেয়ারসমূহে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ হয়ে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
আশয়িত অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরুর শেয়ারবাজারে কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইস্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করে যোগসাজশ করেছেন। এর ফলে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত আগামী ২০ মে পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।
