যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই China থেকে Iran-এ অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে CNN-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সরঞ্জাম পাঠানো হতে পারে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চীন কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বা ‘ম্যানপ্যাডস’ সরবরাহের পরিকল্পনা করছে। এই ধরনের অস্ত্র নিচুতে ওড়া যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত।
গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানায়, সরাসরি চীন থেকে নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে এসব অস্ত্র ইরানে পাঠানোর চেষ্টা চলছে, যাতে উৎস গোপন রাখা যায়।
এদিকে এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাস। তাদের দাবি, চীন কখনোই সংঘাতে জড়িত কোনো পক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করে না এবং আন্তর্জাতিক দায়িত্বশীলতা বজায় রেখেই চলেছে।
সম্প্রতি Donald Trump দাবি করেন, ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তাপ-অনুসন্ধানী ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা একটি ‘নতুন’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে, তবে এর উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে না চাইলেও ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখতে পরোক্ষ সহায়তা দিতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিরপেক্ষ অবস্থানও ধরে রাখতে চাইছে বেইজিং।
উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে চীন ও Russia-এর দীর্ঘদিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। আগামী মাসে চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ইস্যু গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
