পুলি পিঠার দুই রেসিপি

পুলি পিঠার দুই রেসিপি

স্বাস্থ

নতুন ধানের চাল উঠতে শুরু করেছে। বিকেলের পর থেকে ঠান্ডা বাতাস বইছে। পিঠাপুলি খাওয়ার এই তো সময়। বাঙালির প্রিয় পুলি পিঠা তৈরি হয় নানা উপায়ে। এখানে থাকছে পুলি পিঠার ঝাল ও মিষ্টি স্বাদের দুটি রেসিপি

উপকরণ: ময়দা ২ কাপ, আতপ চালের গুঁড়ি আধা কাপ, লবণ সামান্য, নারকেলের দুধ ১ কাপ (২ লিটার দুধ জাল দিয়ে ১ লিটার করে ১ কাপ চিনি ও আধা চা-চামচ এলাচি গুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে রাখতে হবে)।

প্রণালি: নারকেলের দুধ ফুটিয়ে লবণ, চালের গুঁড়া, ময়দা দিয়ে সেদ্ধ হলে নেড়ে নামিয়ে নিন। এবার ভালো করে মথে ২০ ভাগ বা পছন্দমতো ভাগ করে, প্রতি ভাগ হাতের আঙুল দিয়ে চেপে চেপে বাটির মতো আকার করে ১ টেবিল চামচ পুর দিয়ে মুখ বন্ধ করে অর্ধচন্দ্রাকারে করে ২০-২৫ মিনিট ভাপে সেদ্ধ করে গরম অবস্থায় ঘন দুধে দিতে হবে, ঠান্ডা হলে পরিবেশন করতে হবে।

পুরের উপকরণ: নারকেল কোরানো ২ কাপ, খেজুরের গুড় ১ কাপ, এলাচি গুঁড়া সামান্য। সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে চুলায় দিয়ে নাড়তে হবে, চটচটে হলে নামাতে হবে।

পুরের উপকরণ: গরুর মাংসের কিমা সেদ্ধ পৌনে এক কাপ, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, রসুন থেঁতলানো ১ টেবিল-চামচ, হলুদগুঁড়া এক চিমটি, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, রোস্টেড জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল-চামচ, চাট মসলার গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজপাতা কুচি ও ধনেপাতা কুচি স্বাদমতো।

প্রণালি: প্যানে তেল গরম করে থেঁতলানো রসুন দিয়ে হালকা ভেজে পেঁয়াজ কুচি দিন। কিছুক্ষণ পর সেদ্ধ কিমা দিন। একটু নেড়েচেড়ে হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া দিয়ে একটু পানি দিন। পানি টেনে এলে কাঁচা মরিচ কুচি ও ভাজা মসলার গুঁড়া দিন। পেঁয়াজপাতা কুচি ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিন।
পুলির উপকরণ: চালের গুঁড়া দেড় কাপ, ময়দা সিকি কাপ, পানি দেড় কাপ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: পানি ফুটিয়ে তাতে লবণ, চালের গুঁড়া ও ময়দা দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে রাখুন। সেদ্ধ হলে নেড়েচেড়ে কাই বানান। নামিয়ে হাত দিয়ে মেখে নিন। কাই দিয়ে কয়েকটি রুটি বেলে মাঝখানে কেটে দুই ভাগ করুন। এক ধারে একটু পুর দিয়ে দুই ধার আটকে দিন। এভাবে সবগুলো পিঠা বানিয়ে নিন। তেল গরম করে ভেজে নিন সবগুলো।