আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে চলমান বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন তথ্য উঠে এসেছে, যা ঘটনাটিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বুয়েনোস আইরেসের আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কার্লোস দিয়াজ দাবি করেন, ম্যারাডোনা বাইপোলার ডিসঅর্ডার ও নার্সিসিজমে ভুগছিলেন এবং তার জন্য সম্পূর্ণ মদ্যপানমুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন ছিল। ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগে তিনি বর্তমানে সাতজন অভিযুক্তের একজন।
দিয়াজ আরও বলেন, ম্যারাডোনার জীবনযাত্রা পরিবর্তনের চেষ্টা চলছিল এবং মৃত্যুর আগে টানা ২৩ দিন তিনি কোনো মাদক গ্রহণ করেননি বলে টক্সিকোলজি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আদালতে তিনি ম্যারাডোনার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ভঙ্গুরতার কথাও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, নিউরোসার্জন লিওপোল্ডো লুকে দাবি করেন, বাড়িতে চিকিৎসার ব্যবস্থা যথাযথ ছিল এবং সেটিকে আইসিইউ হিসেবে পরিচালনার কোনো পরিকল্পনা ছিল না।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুর আগে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছিল। বর্তমানে আদালত খতিয়ে দেখছে, তার চিকিৎসায় কোনো অবহেলা বা অপরাধমূলক গাফিলতি ছিল কি না।
